ইংরেজ শাসকদের কাছ থেকে উপমহাদেশের মুক্তির জন্য মহাত্মা গান্ধী এক সময় এদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেন। নানাভাবে তাদের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করার চেষ্টা করেন। এরই ধারাবাহিক ফসল স্বদেশী আন্দোলন, অহিংস আন্দোলন ইত্যাদি। কালের বিবর্তনে জন্ম পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি পৃথক রাষ্ট্রের এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশের।
"উদ্দীপকটি যেন 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ভাষণটির মূলভাবকে ধারণ করে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
জগতে যুগে যুগে স্বজাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর করে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বহু রাষ্ট্রনায়কের আবির্ভাব ঘটেছে। তাঁরা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে সংগ্রামের পথে এপিয়ে দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।
'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। তিনি পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের নিগড় থেকে বাঙালিকে মুক্তির জন্য অনুপ্রাণিত করেন। তিনি এদেশের মানুষের অর্থনীতি, রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য যে আন্দোলন, সংগ্রাম করে আসছিলেন, তা ৭ই মার্চের ভাষণে পুনরাবৃত্তি করে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে বলেন। তিনি শাসকদের বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠে উচ্চারণ করেন-"এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।" শেখ মুজিবুর রহমানের এই আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর আন্দোলন-সংগ্রামের সাদৃশ্য রয়েছে। মহাত্মা গান্ধীও উপমহাদেশের মুক্তির জন্য দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেন। নানাভাবে দেশবাসীর মনে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেন।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?